মার্চেন্ট অ্যাপরাইডার। কাস্টমার। মার্চেন্ট। এক সিস্টেম।
প্রতিটি বুকিং, রাইডার অ্যাসাইনমেন্ট, স্ক্যান, লোকেশন আপডেট, টাকা সংগ্রহ ও সেটেলমেন্ট একটি সংযুক্ত ব্যবস্থায় চলে—যাতে পিকআপ থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত রাইডার, কাস্টমার ও মার্চেন্ট একই নির্ভরযোগ্য রেকর্ড দেখেন।
AL FATEHIEXPRESSভরসা একটি প্রক্রিয়া, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়।
স্লোগান শোনানোর চেয়ে আমরা বরং ব্যবস্থাটা দেখাতে চাই। আপনার পার্সেল আর আপনার টাকা আসলে যেভাবে সুরক্ষিত থাকে —
রাইডার আগে যাচাই হয়
কাজ শুরুর আগে রাইডার ও মার্চেন্টদের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। অনুমোদন বা বাতিল — দুটোই কারণসহ রেকর্ড থাকে।
প্রতিটি হস্তান্তরে একটি স্ক্যান
প্রতিটি পার্সেলের নিজস্ব বারকোড থাকে, যা পিকআপে, হস্তান্তরে ও ডেলিভারিতে স্ক্যান হয়। এর ইতিহাস ফোন কল নয়, স্ক্যানের ধারাবাহিকতা।
সত্যিকারের লাইভ ট্র্যাকিং
রাইডারের রুটে লাইভ জিপিএস ট্র্যাকিং — দিনে দুবার আপডেট হওয়া স্ট্যাটাস নয়। গ্রাহক ও মার্চেন্ট একই সময়ে একই তথ্য দেখেন।
যে হিসাব মিলে যায়
দরজায় সংগ্রহ করা টাকা সংশ্লিষ্ট অর্ডারের সাথে যুক্ত থাকে এবং মার্চেন্ট ওয়ালেটে জমা হয়, এসএসএল কমার্সের অনলাইন পেমেন্টের পাশাপাশি।
ভুল হলে যাওয়ার একটা পথ
রিটার্ন, ক্ষতিগ্রস্ত পার্সেল ও ডেলিভারি বিরোধের নির্দিষ্ট পথ আছে: অর্ডারের বিপরীতে অভিযোগ তুলুন, পর্যালোচনা হবে, সিদ্ধান্ত আসবে — অনুমোদন, বাতিল, আংশিক ফেরত বা উচ্চতর পর্যায়ে পাঠানো।
মতামত পৌঁছায় মার্চেন্টের কাছে
গ্রাহক সম্পন্ন ডেলিভারিতে রেটিং ও মতামত দেন। মার্চেন্ট তা দেখেন, আর আমরা সেবা আরও ভালো করতে তা কাজে লাগাই।
নেতৃত্ব
আল ফাতেহির পেছনের মানুষ।
আল ফাতেহি গ্রুপের তিনটি ব্যবসার একটি আল ফাতেহি এক্সপ্রেস। এঁরা নিজ নিজ পদে এসব ব্যবসার দায়িত্বে আছেন।

আল ফাতেহির প্রতিষ্ঠাতা এবং আল ফাতেহি এক্সপ্রেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক — বরিশালে কুরিয়ার ও লজিস্টিকস সেবার দায়িত্বে।

আল ফাতেহি ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সির প্রধান নির্বাহী — গ্রুপের সৌদি-কেন্দ্রিক ভ্রমণ ও মোবিলিটি ব্যবসা।
আমরা শুরু করছি বরিশাল থেকে।
বরিশাল জেলা থেকেই আল ফাতেহি এক্সপ্রেসের শুরু। কভারেজ এখান থেকেই বাড়বে — ধাপে ধাপে, এবং কেবল সেখানেই যেখানে আমরা একই মান ধরে রাখতে পারব।
যে প্রশ্নগুলো সবাই আগে করেন।
এখানে উত্তর পাননি? সরাসরি জিজ্ঞেস করুন — অনুমান করার চেয়ে উত্তর দেওয়াই ভালো।
প্রশ্ন করুনআমরা বরিশাল জেলা থেকে শুরু করছি এবং সেখান থেকেই কভারেজ বাড়াচ্ছি। আমরা এখনো যাই না এমন রুট দরকার হলে জানান — চাহিদা অনুযায়ী কভারেজ বাড়ে।
প্রতিটি ডেলিভারি রাইডারের রুটে জিপিএস দিয়ে লাইভ ট্র্যাক করা হয়, প্রতিটি স্ট্যাটাস পরিবর্তনে পুশ ও এসএমএস নোটিফিকেশন যায়, আর পার্সেলটি পিকআপে, হস্তান্তরে ও ডেলিভারিতে বারকোড স্ক্যান করা হয়। অ্যাপের সাথেই এই সাইটে ট্র্যাকিং চালু হবে।
হ্যাঁ। রাইডার দরজায় গিয়ে প্রাপকের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেন এবং তা মার্চেন্টের ওয়ালেটে ওই অর্ডারের বিপরীতে হিসাব করা হয়। কার্ড ও মোবাইল পেমেন্ট অনলাইনে এসএসএল কমার্সের মাধ্যমে নেওয়া হয়।
ভাড়া হিসাব করে বুকিং নিশ্চিত করার আগেই আপনাকে দেখানো হয়, তাই অনুমান করতে হয় না। নিয়মিত মার্চেন্ট ভলিউমের জন্য আপনার তথ্য পাঠান, আমরা আলোচনা করে নেব।
মার্চেন্টরা একটি একটি করে বুক না করে মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে বাল্কে অর্ডার দেন। প্রতিটি অর্ডারের নিজস্ব বারকোড, লাইভ স্ট্যাটাস এবং মার্চেন্ট ওয়ালেটে ক্যাশ অন ডেলিভারির হিসাব থাকে।
আপনি ওই অর্ডারের বিপরীতে রিটার্ন, ক্ষতিগ্রস্ত পার্সেলের দাবি বা ডেলিভারি বিরোধ তোলেন। সাপোর্ট টিম তা পর্যালোচনা করে নিষ্পত্তি করে — অনুমোদন, বাতিল, আংশিক ফেরত বা উচ্চতর পর্যায়ে পাঠানো — এবং পুরো সময় আপনি অবস্থা দেখতে পান।
রাইডার ও মার্চেন্ট দুজনকেই কাজ শুরুর আগে যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়: কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়, আমাদের নির্ধারিত শর্তের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, এবং কারণসহ অনুমোদন বা বাতিল করা হয়।
রাইডার অনবোর্ডিং হয় রাইডার অ্যাপে: রেজিস্ট্রেশন করুন, যাচাইয়ের কাগজপত্র জমা দিন, অনুমোদন পেলেই ডেলিভারি নেওয়া শুরু করুন। অ্যাপটি তৈরি হচ্ছে — এখনই আপনার তথ্য পাঠান, চালু হওয়ার সাথে সাথেই আমরা যুক্ত করে নেব।
কাস্টমার, রাইডার ও মার্চেন্ট অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএসের জন্য তৈরি হচ্ছে, এবং গুগল প্লে ও অ্যাপ স্টোরে প্রকাশ করা হবে। এখানে আপনার তথ্য পাঠান, চালু হওয়ার সাথে সাথেই আমরা যোগাযোগ করব।
আমরা কী সংগ্রহ করি, কতদিন রাখি এবং কার সাথে ভাগ করি — সবই আমাদের প্রাইভেসি পলিসিতে বলা আছে। আপনার তথ্য নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগ করুন, আমরা সরাসরি উত্তর দেব।